আজ রবিবার, ৩ জুলাই, ২০২২, ১৯ আষাঢ়, ১৪২৯ বঙ্গাব্দ, ৩ জিলহজ, ১৪৪৩ হিজরী
আজ রবিবার, ৩ জুলাই, ২০২২, ১৯ আষাঢ়, ১৪২৯ বঙ্গাব্দ, ৩ জিলহজ, ১৪৪৩ হিজরী

প্রস্তুত জাতীয় ঈদগাহ, ধারণ ক্ষমতা ৩৫ হাজার

জাতীয় ঈদগাহে ঈদুল ফিতরের নামাজের জন্য সার্বিক প্রস্তুতি নেয়া হয়েছে। আগামীকাল সকাল সাড়ে ৮টায় ঈদের প্রধান জামাত এখানে অনুষ্ঠিত হবে। জাতীয় ঈদগাহে একসঙ্গে প্রায় ৩৫ হাজার মানুষ নামাজ আদায় করতে পারবেন।
ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের (ডিএসসিসি) আওতাধীন এ ঈদগাহ ময়দান। এখানে ঈদ জামাতের জন্য প্রস্তুতের কাজ করেছে পিয়ারো সরদার অ্যান্ড সন্স নামে একটি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান।

ডিএসসিসির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ৩০ হাজার বর্গমিটার ময়দানের ২৫ হাজার ৪০০ বর্গমিটার জুড়ে প্যান্ডেল করা হয়েছে। ৩৪ হাজারের বেশি সাধারণ নাগরিকের পাশাপাশি ২৫০ জন ভিআইপি পুরুষ এবং ৮০ জন ভিআইপি নারীর জন্য নামাজের ব্যবস্থা করা হয়েছে।

জাতীয় ঈদগাহ ময়দান ঘুরে দেখা গেছে, সব মিলিয়ে জামাত আয়োজনের প্রায় সব প্রস্তুতি এরই মধ্যে সম্পন্ন হয়েছে। নামাজ আদায়ের সারিতে টেবিল ফ্যান বসানোর কাজ সম্পন্ন হয়েছে। বাঁশ দিয়ে প্যান্ডেল তৈরির কাজ আগেই করা হয়েছে। নামাজের কাতারে বসানো হচ্ছে বিশেষ কাপড়। এছাড়া বৃষ্টি এলে যেন মুসল্লিদের কোনো সমস্যা না হয়, সেজন্য প্যান্ডেলে ত্রিপল লাগানো হয়েছে।

ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান পিয়ারো সরদার অ্যান্ড সন্সের পক্ষে মোজাম্মেল হক জানান, ৫ এপ্রিল থেকে ময়দানে কাজ শুরু হয়। প্রতিদিন ১৫০ জনের বেশি শ্রমিক এখানে কাজ করছেন। সব প্রস্তুতি প্রায় শেষ।

ডিএসসিসির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, জাতীয় ঈদগাহে মুসল্লিদের জন্য অজুর ব্যবস্থা করা হয়েছে। ১৪০ জন মুসল্লি একসাথে অজু করতে পারবেন। মোট ১০টি এয়ার কুলারের ব্যবস্থা করা হয়েছে। মাঠে ৫৫০টি সিলিং ফ্যান, ১৫০টি স্ট্যান্ড ফ্যান, ৪০টি মেটাল লাইট ও ৭০০টি টিউব লাইট লাগানো হচ্ছে। ভ্রাম্যমাণ টয়লেট, প্রাথমিক চিকিৎসা সেবা, বৃষ্টির পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা, ফায়ার সার্ভিসের অগ্নিনির্বাপণ ব্যবস্থাও রয়েছে।

এদিকে ধর্ম মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, এবার ঈদের প্রধান জামাত অনুষ্ঠিত হবে জাতীয় ঈদগাহে সকাল সাড়ে ৮টায়। তবে বৈরী আবহাওয়া থাকলে ঈদের প্রধান জামাত সকাল ৯টায় জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমে অনুষ্ঠিত হবে।

রোববার নিরাপত্তা ব্যবস্থা পরিদর্শন শেষে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি) কমিশনার মোহা. শফিকুল ইসলাম বলেন, জাতীয় ঈদগাহে চার স্তরের নিরাপত্তা নিশ্চিত করেছে ডিএমপি।

এদিকে ডিএমপির নির্দেশনা অনুযায়ী, ঈদ জামাতে আসা মুসল্লিরা জায়নামাজ ও ছাতা সঙ্গে নিয়ে আসতে পারবেন। এর বাইরে কোনোকিছু সঙ্গে নিয়ে আসতে নিষেধ করা হয়েছে। মুসল্লিদের আর্চওয়ে গেট দিয়ে ঈদগাহে প্রবেশ করতে হবে। কারো সঙ্গে ব্যাগ থাকলে সেটি তল্লাশি করা হবে। নামাজের জন্য নির্ধারিত সময়ের আগে আসার অনুরোধ জানানো হয়েছে মুসল্লিদের।