আজ মঙ্গলবার, ১৮ মে, ২০২১, ৪ জ্যৈষ্ঠ, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ, ৫ শাওয়াল, ১৪৪২ হিজরী
আজ মঙ্গলবার, ১৮ মে, ২০২১, ৪ জ্যৈষ্ঠ, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ, ৫ শাওয়াল, ১৪৪২ হিজরী

লকডাউনে খাদ্য সহায়তা পাবে সোয়া কোটি দরিদ্র পরিবার

করোনাভাইরাস পরিস্থিতির অবনতি রোধে ১৪ এপ্রিল থেকে আবারো টানা সাতদিনের সর্বাত্মক লকডাউনে যাচ্ছে দেশ। এসময় দেশের এক কোটি ২৫ লাখ দরিদ্র পরিবারকে খাদ্য সহায়তা দেবে সরকার। খাদ্য তালিকায় রয়েছে ১০ কেজি চাল, এক কেজি ডাল, লবণ, সয়াবিন তেল ও চার কেজি আলু।
দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয় সূত্র এ তথ্য নিশ্চিত করেছে।

সূত্র জানায়, ৫ থেকে ১১ এপ্রিল সাতদিনের লকডাউন ছিল। ১৪ এপ্রিল থেকে আবারো এক সপ্তাহের লকডাউন শুরু হচ্ছে। এ সময়ে রফতানিমুখী কলকারখানা ও জরুরি সেবা কার্যক্রম ছাড়া সবই বন্ধ থাকবে। এতে দৈনিক আয়ের ওপর নির্ভরশীল জনগোষ্ঠীর আয়ের সুযোগ থাকবে না। এতে দৈনিক আয়ের ওপর নির্ভরশীল জনগোষ্ঠীর জীবনধারণ কঠিন হয়ে পড়বে। এ ধরনের নাগরিকদের সহযোগিতা করতে উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। এছাড়া ওএমএসের মাধ্যমে কম দামে চাল ও আটা বিক্রি বাড়ানো হয়েছে। রমজানকে সামনে রেখে সরকারের বাণিজ্যিক সংস্থা টিসিবির বিক্রি বাড়ানো হয়েছে।

অন্যদিকে নিম্ন আয়ের মানুষের পুষ্টির ঘাটতি পূরণে মাছ, ডিম ও মুরগির মাংস বিক্রি করছে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ অধিদফতর। এ অধিদফতর প্রয়োজনে গরু ও খাসির মাংসও বিক্রির পরিকল্পনা নিয়েছে।

দরিদ্রদের খাদ্য সহায়তার ব্যাপারে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী ডা. মো. এনামুর রহমান গণমাধ্যমকে জানান, আসন্ন রমজান ও ঈদুল ফিতর সামনে রেখে দরিদ্রদের সহায়তায় ভিজিএফ কর্মসূচিতে ৪৫১ কোটি টাকা ও জিআর কর্মসূচিতে ১২১ কোটি টাকা ছাড় (অনুমতি) করা হয়। কিন্তু করোনার প্রাদুর্ভাব বাড়ায় লকডাউন ঘোষণার ফলে দিনমজুর ও নিম্ন আয়ের অনেকে সমস্যায় পড়বেন। ত তাই ভিজিএফ ও জিআরের অর্থ বিতরণ স্থগিত করার সিদ্ধান্ত হয়েছে। ভিজিএফের অর্থ পরে ছাড় করা হবে।

তিনি আরো জানান, ২০২০ সালের সাধারণ ছুটির সময় সারাদেশে এক কোটি ২৫ লাখ দরিদ্র পরিবারকে খাদ্য সহায়তা দেয় সরকার। এসব পরিবারের তালিকা সরকারের কাছে রয়েছে। এবারও প্রাথমিকভাবে তাদের সহায়তা করা হবে। এছাড়া দৈনিক আয়ের ওপর নির্ভরশীল যেকোনো ব্যক্তি বা পরিবার সমস্যায় থাকলে স্থানীয় প্রশাসনের মাধ্যমে তাদের সহায়তা করা হবে। লকডাউন বাড়লে প্রথমবার সহায়তা দেয়ার ১৫ দিন পর পুনরায় খাদ্য সহায়তা দেয়া হবে। স্থানীয় প্রশাসন স্থানীয় বাজার থেকে এসব খাদ্যসামগ্রী কিনে দরিদ্রদের কাছে পৌঁছে দেবে।