আজ শুক্রবার, ২৫ জুন, ২০২১, ১১ আষাঢ়, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ, ১৪ জিলকদ, ১৪৪২ হিজরী
আজ শুক্রবার, ২৫ জুন, ২০২১, ১১ আষাঢ়, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ, ১৪ জিলকদ, ১৪৪২ হিজরী

ঢাকায় ফিরতে বাংলাবাজার ঘাটে মানুষের ঢল

করোনাভাইরাস সংক্রমণরোধে জারি করা বিধিনিষিধের মধ্যে ঈদের ছুটি শেষে ঢাকা ফিরছেন কর্মজীবী মানুষ। সোমবার (১৭ মে) মুন্সীগঞ্জের শিমুলিয়া ফেরিঘাটে দক্ষিণাঞ্চল থেকে হাজার হাজার মানুষকে আসতে দেখা যায়।

সরেজমিন শিমুলিয়া ঘাটে গিয়ে জানা গেছে, বাংলাবাজার-শিমুলিয়া নৌরুটে ১৮টি ফেরিতে করে প্রাইভেটকার, মাইক্রোবাস, সিএনজিচালিত অটোরিকশা ও মোটরসাইকেলের সঙ্গে যাত্রীরা পার হয়ে আসছে। শিমুলিয়া ঘাটে দক্ষিণাঞ্চলমুখী যাত্রীর চাপ নেই। বাংলাবাজার ঘাট থেকে পদ্মা নদী পার হয়ে মানুষ আসছে। এতে করে শিমুলিয়া ঘাটে কোনো যানবাহন ফেরি পারের জন্য অপেক্ষায় থাকছে না।

বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন করপোরেশনের (বিআইডব্লিউটিসি) শিমুলিয়া ঘাটের ব্যবস্থাপক (বাণিজ্য) প্রফুল্ল চৌহান জানান, সকাল থেকে এই নৌরুটে ১৮টি ফেরি চলাচল করছে। শিমুলিয়া ঘাটে ফেরির অপেক্ষায় যানবাহন বা যাত্রী নেই। তবে বাংলাবাজার ঘাটে যাত্রীদের চাপ রয়েছে।

মাওয়া নৌপুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ সিরাজুল কবির জানান, এই নৌরুটে লঞ্চ, স্পিডবোট ও ট্রলার চলছে না। তবে সকাল থেকে ফেরি চলাচল স্বাভাবিক রয়েছে। মাদারীপুরের বাংলাবাজার থেকে ফেরিতে করে শিমুলিয়া ঘাটে হাজার হাজার যাত্রী আসছে।

লকডাউনের কারণে দূরপাল্লা ও আন্তঃজেলা বাস বন্ধ থাকায় বাংলাবাজার-শিমুলিয়া ঘাট হয়ে ঢাকায় ফিরতে মানুষের হিমশিম খেতে হচ্ছে। অতিরিক্ত ভাড়া দিয়ে নানা যানবাহনে করে ভেঙে ভেঙে কর্মস্থলে ফিরছেন তারা।

বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন করপোরেশনের (বিআইডব্লিউটিসি) এজিএম শফিকুল ইসলাম জানান, জরুরি পরিষেবার যানবাহন পারাপারের জন্য ফেরি সচল রাখা হলেও কর্মস্থলে ফেরা মানুষ ফেরিতে উঠে পড়ছেন। গাদাগাদি করে নদী পার হচ্ছেন তারা। বাংলাবাজার ঘাটে ঢাকামুখী মানুষের চাপ রয়েছে বলে জানান শফিকুল ইসলাম।

মাওয়া ট্রাফিক পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ (টিআই) মোহাম্মদ হিলাল উদ্দিন বলেন, পদ্মা পার হয়ে হাজার হাজার মানুষ শিমুলিয়া ঘাটে আসছে। তবে গণপরিবহন না থাকায় তাদের বিড়ম্বনায় পড়তে হচ্ছে। এ নৌরুটে লঞ্চ, ট্রলার ও স্পিডবোট চলাচল বন্ধ রয়েছে বলে জানান ট্রাফিক পুলিশের এক কর্মকর্তা।