আজ রবিবার, ৩ জুলাই, ২০২২, ১৯ আষাঢ়, ১৪২৯ বঙ্গাব্দ, ৩ জিলহজ, ১৪৪৩ হিজরী
আজ রবিবার, ৩ জুলাই, ২০২২, ১৯ আষাঢ়, ১৪২৯ বঙ্গাব্দ, ৩ জিলহজ, ১৪৪৩ হিজরী

বর্ডার হাট স্থাপনে উভয় দেশের যোগাযোগ ও বাণিজ্য বৃদ্ধি পাবে: বাণিজ্যমন্ত্রী

বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি বলেছেন, ভারতের মিজোরাম রাজ্য এবং বাংলাদেশের মানুষের মধ্যে যোগাযোগ ও বাণিজ্যিক সম্পর্ক বৃদ্ধির জন্য মিজোরাম সীমান্তে একটি বর্ডার হাট স্থাপন করা হবে।
সোমবার বাংলাদেশের বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি এবং ভারতের মিজোরাম রাজ্যের বাণিজ্য ও শিল্পমন্ত্রী আর. লালথাংলিয়ানা (২৫ এপ্রিল) মিজোরামের কনফারেন্স হলে একটি জয়েন্ট স্টেটমেন্ট স্বাক্ষর অনুষ্ঠান শেষে এসব কথা বলেন তিনি।

টিপু মুনশি বলেন, মিজোরামের সিলসুরি এবং বাংলাদেশের সীমান্ত এলাকার সাজেকে একটি বর্ডার হাট স্থাপনের বিষয়ে মিজোরাম প্রস্তাব দিয়েছে। তিনি বলেন, উভয় দেশ এ বিষয়ে একমত হয়েছি।

মিজোরামের সঙ্গে বাংলাদেশের উল্লেখযোগ্য বাণিজ্যিক সম্ভাবনা রয়েছে। বাংলাদেশের তৈরি পোশাক, নির্মাণ সামগ্রী, প্লাস্টিক ও খাদ্য পণ্যসহ চাহিদা মোতাবেক বিভিন্ন পণ্য মিজোরামে রফতানি করা সম্ভব হবে। সেখানে এসব পণ্যের বিপুল চাহিদা রয়েছে। একই সঙ্গে মিজোরামের পাথর, হলুদ, আদা, মরিচ, বিখ্যাত বাশ ইত্যাদি বাংলাদেশে আমদানি করার সুযোগ সৃষ্টি হবে। এখানে একটি বর্ডার হাট স্থাপনের ফলে মিজোরামের সঙ্গে বাংলাদেশের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক এবং বাণিজ্যিক সম্পর্ক আরো শক্তিশালী ও সম্প্রসারিত হবে।

বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, লুসাই পাহারের অবস্থান মিজোরামে, কর্ণফুল নদী লুসাই পাহাড় হতে উৎপত্তি হয়ে বাংলাদেশের চট্টগ্রামের মধ্য দিয়ে প্রবাহিত। নৌপথ ব্যবহার করে মিজোরামের সঙ্গে বাংলাদেশের পণ্য পরিবহন এবং বাণিজ্যবৃদ্ধির সম্ভাব্যতা যাচাই করা হবে। উভয় দেশের বাণিজ্য বৃদ্ধি করতে যেসব সমস্যা ও করণীয় রয়েছে, সেগুলো যাচাই-বাচাই করে সমস্যা সমাধানের জন্য আমরা প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করছি।

সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ এখন উন্নয়নের রোল মডেল। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্বপ্নের সোনার বাংলা গড়তে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশ দ্রুতগতিতে এগিয়ে যাচ্ছে। বাংলাদেশের উন্নয়ন এখন দৃশ্যমান।

ভারতের মিজোরাম রাজ্যের বাণিজ্য ও শিল্পমন্ত্রী আর. লালথাংলিয়ানা বলেন, বাংলাদেশের চট্রগ্রাম বন্দর ও নৌপথ ব্যবহার করে উভয় দেশের মালামাল পরিবহন এবং বাণিজ্য বৃদ্ধি করার সুযোগ রয়েছে। এ বিষয়ে আমরা পদক্ষেপ নিয়েছি। বর্ডার হাটের বিষয়ে উভয় দেশের মানুষের আগ্রহ রয়েছে। এখানে বর্ডার হাট স্থাপন করা হলে উভয় দেশ উপকৃত হবে। উভয় দেশের মানুষের মধ্যে পারস্পরিক যোগাযোগ স্থাপিত হবে এবং বাণিজ্যের সম্ভাবনা বৃদ্ধি পাবে। এতে করে উভয় দেশ লাভবান হবে।