আজ শুক্রবার, ২৫ জুন, ২০২১, ১১ আষাঢ়, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ, ১৪ জিলকদ, ১৪৪২ হিজরী
আজ শুক্রবার, ২৫ জুন, ২০২১, ১১ আষাঢ়, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ, ১৪ জিলকদ, ১৪৪২ হিজরী

৫০টি মডেল মসজিদের উদ্বোধন আজ

ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের অধীনে ইসলামিক ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে দেশের সকল জেলা ও উপজেলায় নির্ধাণাধীন ৫৬০টি মডেল মসজিদ ও ইসলামিক সাংস্কৃতিক কেন্দ্রের মধ্যে ৫০টির উদ্ভোধন আজ।
বৃহস্পতিবার প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে এগুলো উদ্বোধন করবেন। এ উপলক্ষে ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনের ভেতর ও বাইরে ছোটবড় বিলবোর্ড টাঙানো হয়েছে।

বুধবার ধর্ম বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী মো. ফরিদুল হক খান এক প্রেস ব্রিফিংয়ে এ বিষয়ে বিস্তারিত তুলে ধরেন।

ধর্ম প্রতিমন্ত্রী বলেন, তার জানা মতে, ইতিহাসে কোনো সরকারের আমলে একসঙ্গে ৫৬০টি মডেল মসজিদ ও ইসলামিক সাংস্কৃতিক কেন্দ্র স্থাপনের রেকর্ড নেই। ৫৬০টির নির্মাণ কাজ শেষ হলে এটা হবে বিশ্ব রেকর্ড।

তিনি আরো বলেন, প্রতিটি মডেল মসজিদ ও ইসলামিক সাংস্কৃতিক কেন্দ্র ৪৩ শতাংশ জায়গার ওপর তিন ক্যাটাগরিতে নির্মাণ করা হবে। জেলা ও সিটি কর্পোরেশন পর্যায়ে চারতলা, উপজেলা পর্যায়ে তিন তলা, উপকূলীয় এলাকায় চারতলা (যার মধ্যে নিচতলা ফাঁকা) মডেল মসজিদ ও সাংস্কৃতিক কেন্দ্র নির্মাণ করা হচ্ছে।

দেশের প্রতিটি জেলা-উপজেলায় ৫৬০টি দৃষ্টিনন্দন মডেল মসজিদ ও ইসলামিক সাংস্কৃতিক কেন্দ্র নির্মাণ প্রকল্পের কাজ এগিয়ে চলেছে। সম্পূর্ণ সরকারি অর্থায়নে আট হাজার ৭২২ কোটি টাকা ব্যয়ে ১৯ লাখ ৯০ হাজার ৩৬ বর্গমিটার আয়তনের নির্মিতব্য এসব মসজিদ ও ইসলামিক সাংস্কৃতিক কেন্দ্রের প্রতিটির নির্মাণ ব্যয় কমপক্ষে ১২ থেকে সর্বোচ্চ ১৫ কোটি টাকা।

এসব মসজিদে প্রতিদিন চার লাখ ৪০ হাজার ৪৪০ জন পুরুষ ও ৩১ হাজার ৪০০ জন নারীর নামাজ পড়ার সুবিধা থাকবে। পবিত্র কোরআন হাদিসের জ্ঞান অর্জনের জন্য এসব মডেল মসজিদ ও ইসলামিক সাংস্কৃতিক কেন্দ্রে ৩৪ হাজার মানুষ লাইব্রেরিতে পড়াশোনার সুযোগ পাবেন।

প্রতিদিন ৬ হাজার ৮০০ জন গবেষকের গবেষণার সুযোগ, ৫৬ হাজার মুসল্লির দ্বীনি দাওয়াতের কার্যক্রম পরিচালনা, প্রতিবছর ১৪ হাজার শিক্ষার্থীর কোরআন হেফজ করার সুবিধা, প্রতিবছর ১৬ হাজার ৮০০ শিশুর প্রাক-প্রাথমিক শিক্ষা অর্জন এবং ২ হাজার ২৪০ জন অতিথির আবাসনের সুযোগ থাকবে।

এছাড়া মসজিদের খতিব ও ইমামদের মাধ্যমে প্রতিবছর সন্ত্রাস ও নারীর প্রতি সহিংসতা প্রতিরোধে জনসচেতনামুলক কার্যক্রম পরিচালিত হবে।

এসব মডেল মসজিদ এবং সাংস্কৃতিক কেন্দ্র ইসলামের প্রচার-প্রসারে ভূমিকা রাখার পাশাপাশি সন্ত্রাস, জঙ্গিবাদ ও নারীর প্রতি সহিংসতা রোধ এবং সরকারের উন্নয়ন কার্যক্রম সম্পর্কে জনসচেতনতা বাড়াতে ভূমিকা রাখবে বলেও জানান ধর্ম প্রতিমন্ত্রী ফরিদুল হক খান।